ইবির ৪৪ শিক্ষক রাষ্ট্রবিরোধী কার্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ, তদন্তে কমিটি গঠন

ইবি সংবাদদাতা, আরটিভি নিউজ

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ , ০৮:৩৫ পিএম


ইবির ৪৪ শিক্ষক রাষ্ট্রবিরোধী কার্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ, তদন্তে কমিটি গঠন
ইবির ৪৪ শিক্ষক রাষ্ট্রবিরোধী কার্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ। ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৪৪ জন শিক্ষক রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর আগে গণমাধ্যমে ওঠে আসা ৪৪ জনের তালিকা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেনকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যানেল ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. মো. সাজ্জাত হোসেন। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে আছেন অর্থ হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা উপ-হিসাব পরিচালক মো. ইসরাফুল হক।

আরও পড়ুন

অফিস আদেশে বলা হয়, পত্রিকায় প্রকাশিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষকের রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রতিবেদন সম্পর্কে তদন্তপূর্বক রিপোর্ট প্রদানের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চলতি মাসের ১২ আগস্টের মধ্যে রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের চিহ্নিত করে করণীয় নির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করতে হবে। এছাড়া প্রকাশিত প্রতিবেদনে যুক্ত থাকা ইবির শিক্ষকরা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দমন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও তদন্তের আওতায় থাকবে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ অক্টোবর সিন্ডিকেটের ২৭১তম (সাধারণ) সভায় জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বিপ্লব সময়কালীন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্য হতে বিপ্লব বিরোধী ভূমিকায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯ শিক্ষক ও ১১ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত এবং ৩৩ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ১৯ শিক্ষক ও ১১ কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফ ও পুনরায় চাকরিতে বহালের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৎকালীন প্রশাসন।

এর আগে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বের প্রশাসন বিভিন্নভাবে তাদের (জুলাই বিরোধী শিক্ষক) বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে। কোন প্রেক্ষিতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে আবার সরে দাঁড়িয়েছে, সে ব্যাখ্যা তো আমি দিতে পারব না।

তিনি আরও বলেন, আমি যেটা মনে করি, যেহেতু একটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেই রাজনৈতিক দলের অনুসারী যারা বা আদর্শিক চেতনায় যারা বিশ্বাস করেন, তারা যেকোনো নামেই যদি সংগঠিত হয় এবং সেটা যদি আমাদের কাছে এরকম কোনো ডকুমেন্ট আসে, নিঃসন্দেহে সে ব্যাপারে আমরা ব্যবস্থা নেব।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission